Please hide your bewakoofi .
Putting laughing emoticons everywhere only means you have little clue about Bangladesh Railway's operations (if any) and you're trying to hide it. Googling everything on the iNternet will only give you ahalf *** picture, India has been trying to supply Broad gauge coaches to Bangladesh since 1971 without success. Meter Gauge always came from somewhere else (Iran, Indonesia, China).
Your incompetent RITES and Indian coach suppliers could not meet the low standards of even BR until now (whose sub-par standards are well known in Bangladesh). I'm guessing you can read Bengali. So read the articles below from 2013 and weep.....
প্রত্যাহার হচ্ছে ভারতীয় ঋণের চার প্রকল্প
ভারতীয় একশ' কোটি ডলার ঋণের আওতায় চারটি প্রকল্প বাস্তবায়নে সমস্যা দেখা দেওয়ায় প্রকল্পগুলো ভারতীয় ঋণে বাস্তবায়ন তালিকা থেকে প্রত্যাহার করা হতে পারে।
How does this prove anything? Infact it supports what I said before, that India has never supplied railways coaches to Bangladesh , and that this is the very first time. So now we know that @Khan saheb was bullshitting about Indian coaches being relegated down from " first line service".
The reason you ll see Indonesian coaches preferred on the so called "first line service" is because this is a meter gauge line and India doesn't manufacture meter gauge coaches. Broad gauge lines in Bangladesh connect the western divisions of Khulna, Rajshahi and Rangpur with Dhaka, rest of the lines are meter gauge, so obviously Indonesian coaches are in use on these meter gauge lines.
নকশা অনুযায়ী এসি কোচ দিতে পারছে না রাইটস লিমিটেড
ইসমাইল আলী | তারিখ: ০৪-০৯-২০১৩
ভারতের ঋণে ৭০টি ব্রডগেজ এসি কোচ ক্রয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। পশ্চিমাঞ্চল রেলের জন্য যে ধরনের কোচ চাওয়া হয়েছে, তা তৈরি করে না ভারতের রাইটস লিমিটেড। যে নকশার কোচ দিতে চায় প্রতিষ্ঠানটি, বাংলাদেশ রেলওয়ের অবকাঠামোয় তা উপযুক্ত নয়। ফলে আটকে যাচ্ছে এসি কোচ কেনার প্রকল্পটি।
জানা গেছে, ভারতের এসি কোচ তুলনামূলক বেশি উঁচু (তিন টায়ারের)। ব্রডগেজ হওয়ায় এসব কোচ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে চালাতে হবে। তবে হার্ডিঞ্জ ব্রিজসহ পশ্চিমাঞ্চল রেলের বেশকিছু রেল সেতু অনেক নিচু। এসব সেতু দিয়ে দুই টায়ারের বেশি উচ্চতার কোচ চালানো ঝুঁকিপূর্ণ। এতে ভারতের তৈরি এসি কোচ যেকোনো সময় আটকে যেতে পারে। পাশাপাশি এগুলো চালাতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। দুর্ভোগ পোহাতে হবে যাত্রীদেরও।
রেলের একাধিক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ট্রেনের ছাদেও চলাচল করে। বিশেষ করে ঈদের সময় এ প্রবণতা বহুগুণ বেড়ে যায়। ভারতের কোচ বেশি উঁচু বলে ছাদের যাত্রীদের রেল সেতুর রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনার কবলে পড়ার আশঙ্কা থাকবে।
রেলওয়ের তথ্যমতে, দরপত্রে কোচের যেসব বৈশিষ্ট্য (স্পেসিফিকেশন) উল্লেখ করা হয়েছিল, তা পূরণ করতে পারেনি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ভারতের রাইটস লিমিটেড। স্পেসিফিকেশন না মেলায় কারিগরি মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) সুপারিশের ভিত্তিতে ৭০টি এসি কোচের দরপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. আবু তাহের বলেন, ‘রেলওয়ে কোচ সংকট রয়েছে। তবে আমাদের স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী সরবরাহ করতে না পারলে কোচ কেনা হবে না। ৭০টি এসি কোচ কেনার জন্য আরেক দফা দরপত্র আহ্বান করা হবে। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তার পরও ব্যর্থ হলে লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) থেকে প্রকল্পটি বাদ দেয়ার সুপারিশ করা হতে পারে।’
রেলওয়ের তথ্যানুযায়ী, ৭০টি এসি কোচ কেনায় ব্যয় ধরা হয়েছে ৯১৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ভারতের ৬৩৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা ঋণ দেয়ার কথা রয়েছে। বাকি ২৭৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে সরকারি তহবিল থেকে। গত বছরের নভেম্বরে প্রকল্পটির দরপত্র আহ্বানের পর টিইসির সুপারিশের ভিত্তিতে গত জুনে তা বাতিল করা হয়। ৩ জুলাই পুনরায় প্রকল্পটির দরপত্র আহ্বান করা হয়। ৫ সেপ্টেম্বর দরপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ধার্য করা হলেও এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এজন্য দরপত্র জমা দেয়ার সময়সীমা এক মাস বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে ১৮ জুন ভারতের এসি কোচের নকশা নিয়ে আপত্তি জানায় পরিকল্পনা কমিশন। আমদানি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মে মাসে রেলওয়ের কর্মকর্তারা ভারতের চেন্নাইয়ে গিয়ে রাইটসের কারখানা পরিদর্শন করেন এবং কোচের নকশা নিয়ে আসেন। পরিকল্পনা কমিশন ওই নকশা পর্যালোচনা করে এতে অসামঞ্জস্য দেখতে পায়। কোচগুলো বাংলাদেশ রেলওয়ের অবকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলে কমিশন। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মতামতও নিতে বলা হয়।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রোলিং স্টক) মো. খলিলুর রহমান বলেন, 'সবকিছু যাচাই-বাছাই করে ভারত থেকে এসি কোচ কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাই আমাদের স্পেসিফিকেশন অনুসরণ না করলে এগুলো কেনা হবে না।’
This is unprecedented ! You cannot expect the supplier to factor in the fact that people ride on the roof of the trains and change the design accordingly, so that they don't get their head bashed in by bridges and other structures along the rail line.
Nice slipping and sliding move. This is all about railway coaches. Upgrading Saidpur is not being done by RCF Kapurthala. Saidpur upgrade is being done by another large Indian govt. machine tools and forging company.
The first Bengali article clearly stated that per contractual agreement load-testing is to be done 'after' delievry - on Bangladesh soil. And it is (read it clealry) LOAD TEST, not oscillation test.
You have absolutely no solid information and are gripping at straws...
RITES has signed all the contracts with BR. RITES will procure it from vendors and supply it to BR, no one said RCF had anything to do with Saidpur upgrade.
If RITES has failed to comply with the terms of the contract, then it should be penalized, that I agree with. But I won't believe it until I see the actual contract terms, Bangladeshi press, especially the Bangla ones have a habit of publishing unsubstantiated bs and anti India tirade.
For example, the bs claim of BR requirement of coach life of 80 years! The oldest coaches in BR are about 40 years old, this was mind you when Bangladesh was a low income country. Think about it 20-30 years down the line, when Bangladesh will have become an upper middle income country do you think its railway network will operate 40 year carriages , let alone 80 years old one 2050 and beyond? So anything your Bengali press publishes, its gonna be hard to buy.
That fancy graph you're showing is about average speeds. Not actual speed limits.
That fancy graph happens to be from a report published by the Bangladesh Planning Commission. If you were me who would you believe? The figures from the highest development authority of a country or a random nincompoop on the internet.
And no they are not average speeds, they are the highest permissible speeds in various sections of the railway network.
The following bar chart and the table describes the speed limit with imposed restrictions. A staggering 47% of the network has speed restrictions of less than 50kph. The World Bank’s recommended desirable speed is in the range of 60 to 100 kph. Hence the rail infrastructure in Bangladesh is severely hindering desirable operational performance.
As for me having no solid information, I agree I don't, but neither do you. You made claims that Bangladesh railway network has a design speed of 150 KMPH, that trains ply at 100KMPH on an average, that Indonesian coaches have undergone all the testings and certification, yet gave not one source to back up your claims. So unless you start backing up your claims with sources, you are just as ignorant as I am, if not more.